তারিখঃ ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

খাগকান্দা – নয়নাবাদ সড়কে সাঁকো নির্মাণে গ্রামবাসীর পাশে সেই ব্যক্তি

স্টাফ রিপোর্টার: জনদুর্ভোগ লাঘবে ব্যক্তিগত খরচে খাগকান্দা- নয়নাবাদ সড়কে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।  সেতু ভেঙ্গে পানিতে তলিয়ে গেলে  হাজারো মানুষের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছিল। কয়েক গ্রামের মানুষের অনুরোধে ব্যক্তি খরচে ড. হাবিবুর রহমান মোল্লাি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেন। এতে আপাতত মানুষের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে বলে এলাকাবাসী খুশি। এনিয়ে আড়াইহাজারের সময় ডট কম-এর পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন করা হয়েছিল।
খাগকান্দা ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষিবিদ ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা বলেন জনস্বার্থে নিজের উদ্যোগে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
প্রসঙ্গত, স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, নির্মাণের প্রায় ১০ বছরের মাথায় ধসে পড়েছে একটি সেতু। এতে কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষকে যাতায়তে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, (২০ সেপ্টম্বর) প্রবল ¯্রােতের ফলে সেতুর পিলারের নিচের অংশের মাটি সরে গিয়ে ধসে পড়ে। তবে এটি রক্ষায় স্থানীয়রা বেশ কয়েকবার সেতুর বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাটের কাজও করেছিল। তাতেও রক্ষা হয়নি। জানা গেছে, খাগকান্দা ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষিবিদ ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা জনস্বার্থে নিজের উদ্যোগে প্রায় অর্ধলাখ টাকা খরচ করে সেতুতে ওঠার অংশে মাটি ভরাটসহ বিভিন্ন অংশের সংস্কার কাজ করিয়ে ছিলেন। এদিকে উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, সেতু পুনরায় নির্মাণে দ্রæত সময়ের মধ্যে দরপত্র আহবান করা হবে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন পাঠানো হয়েছে। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সেতুটি ধসে অধিকাংশই পানির নিচে চলে গেছে। এতে স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসা গামী শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় বাসিন্দারা নৌকায় করে পারাপার হচ্ছেন। অনেকেই আবার কাপড় উঁঠিয়ে পারাপার হচ্ছেন। সেতু নির্মাণের সময় প্রত্যক্ষদর্শী দাবিদার স্থানীয় নয়নাবাদ এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী আলী নামে এক বৃদ্ধা জানান, খাগকান্দা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বান্নাইনার চর চকে ৮ থেকে ১০ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। নির্মাণের সময় এতে ফাইলিং করা হয়নি। এতে পানির ¯্রােতে পিলারের নিচের অংশের মাটি সরে গেছে। এক পর্যায়ে সেতুটি ধসে পড়ে। ফাইলিং করা হলে হয়তো নির্মাণের এতো কম সময়ের মধ্যে ধসে পড়তো না। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ এখন নৌকায় পারাপার হচ্ছেন। জনদুর্ভোগ এখন চরম আকার ধারণ করেছে। স্কুল ও মাদ্রাসা গামী শত শত শিক্ষার্থীরাও যাতায়তে চরম ভোগন্তি হচ্ছে। ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘জনস্বার্থে কিছু দিন আগে আমি নিজের উদ্যোগে সেতুর বিভিন্ন অংশের সংস্কার কাজ করিয়ে ছিলাম। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রæত সময়ের মধ্যেই সেতুটি পুনরায় নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’ আড়াইহাজার উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাশির উদ্দিন বলেন, ‘জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রæত সময়ের মধ্যে সেতু পুনরায় নির্মাণ কাজ করা হবে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন পাঠানো হয়েছে।’
পোষ্টটি শেয়ার করুনঃ

About Author

আড়াইহাজারের সময়

আড়াইহাজারের সময় হলো সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া ওয়েব পোর্টাল। আড়াইহাজারের মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পত্রিকা। আড়াইজারের সময়ের সাথেই থাকুন। আমরা সর্বদা সত্য প্রকাশে অবিচল।

Comments are closed.