তারিখঃ ২৪শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়ায় উত্তেজনা, সংঘর্ষের আশঙ্কা

কালাপাহাড়িয়া প্রতিনিধি:  আড়াইহাজার উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা কালাপাহাড়িয়ায় দীঘদিন শান্ত থাকার পর ফের উত্তেজনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যারচর গ্রামের লোকজনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন অন্য গ্রামের লেঅকজন। এতে উত্তেজনা চরম আকার ধারন করেছে। যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশাঙ্কা করা হচ্ছে।  ৮ মে রাতে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মঞ্জুর হোসেন মেম্বার, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওবায়দুল ইসলাম বাদল, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক তালুকদার, আশকর আলী মাদবর ও  আবুল বাশার, হাফেজ হান্নান, আয়নাল হক, জিয়া প্রধান, রোকনউদ্দিন মেম্বার, করিম মেম্বার, মনির মেম্বার, আলম মেম্বার, কামাল মাষ্টার, রাজ্জাক মোল্লা, মফিজ উদ্দিন মেম্বার, তোফাজ্জল মেম্বার, কাশেম মেম্বার, জজ মিয়া মেম্বার, সাবমিয়া মেম্বার, সোহেল মেম্বার ও জয়নাল এবং সাত্তার। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঈদের আগের দিন ও ঈদের পরেরদিন মধ্যারচর বনাম ঝাউকান্দী গ্রামের মধ্যে ঝগড়া হয়। এই ঝগড়া মীমাংসা করতে এগিয়ে আসেন কালাপাহাড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ও জয়নাল, সাত্তার এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের নেতৃবৃন্দ। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবার মধ্যারচর ও ঝাউকান্দী গ্রামের দুই পক্ষকে নিয়ে কদমিরচর গ্রামে প্রফেসর নুরুজ্জামান সাহেবের বাড়িতে শালিশে বসেছেন উপরে উল্লেখিত সকল নেতৃবৃন্দ। সকল বিচার বিশ্লেষন করে জুড়িবোর্ড রায় ঘোষণা করলে মধ্যারচর গ্রামের আজিজ, হকসাব, জনি, জসু ও জলিলগংরা বিচারকদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শালিশকে চলে যায়। ঐদিন রাতে তাৎক্ষণিক এলাকাবাসী সভা ডেকে মধ্যারচর গ্রামকে অবাঞ্ছিত ও বয়কটের ঘোষণা দেন। পরে মধ্যারচর রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর মধ্যারচর খেয়াঘাটের পরিবর্তে এখন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ কদমিরচর ও পূর্বকান্দী বাজার হয়ে দয়াকান্দা ঘাট দিয়ে চলাচল শুরু করেন।

 

পোষ্টটি শেয়ার করুনঃ

About Author

আড়াইহাজারের সময়

আড়াইহাজারের সময় হলো সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া ওয়েব পোর্টাল। আড়াইহাজারের মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত পত্রিকা। আড়াইজারের সময়ের সাথেই থাকুন। আমরা সর্বদা সত্য প্রকাশে অবিচল।

Comments are closed.